শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ৪র্থ সমাবর্তন ৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ২ হাজার ১৪৮ জন গ্র্যাজুয়েট এবং ৮৩ জন পোস্ট-গ্র্যাজুয়েটসহ মোট প্রায় ২ হাজার ২৩১ জন ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সমাবর্তন ডিগ্রী প্রদান করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিগত চার বছরের সর্বোচ্চ সিজিপিএধারী ৪ জনকে “বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদক” প্রদান করা হয়। তারা হলেন- ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে পাসকৃত তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী ই.এম.কে. ইকবাল আহামেদ, একই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে পাসকৃত শিক্ষার্থী রুবায়া আফসার, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবষে পাসকৃত শিক্ষার্থী সঞ্চয় বড়ুয়া এবং ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে পাসকৃত কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ রাশেদুর রহমান। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মোঃ আবদুল হামিদ। এতে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. এ.কে. আজাদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। এছাড়া ধন্যবাদ জ্ঞাপন বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী। নবীন গ্র্যাজুয়েটবৃন্দের উদ্দেশ্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মোঃ আবদুল হামিদ বলেন, স্বাধীনতার সংগ্রামের চাইতেও দেশ গড়ার সংগ্রাম বেশি কঠিন। দেশ গড়ার সংগ্রামে আরো বেশি আত্মত্যাগ , আরো বেশি ধৈর্য্য, আরো বেশি পরিশ্রম দরকার।এইক্ষেত্রে জাতির পিতার আহ্বানকে বুকে ধারণ করে দেশ গড়ার কাজে ব্রতী হতে হবে তোমাদের। ডিগ্রীপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ডিগ্রী প্রাপ্যতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, সমাবর্তন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি মাইলফলক সেই সাথে স্নাতকদের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের দীর্ঘ শ্রম ও সাধনার ফলে অর্জিত ডিগ্রীর আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়, অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ও তার আপন কর্মকান্ডের মূল্যায়ন করতে পারে। সমাবর্তনে অংশ নিতে আসা সাবেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে এদিন মুখরিত হয়ে উঠছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন। ২০১২ সালের অক্টোম্বর থেকে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইডি ডিগ্রী অর্জনকারীরা সমাবর্তনে অংশ নেন।